দিলারা জামানের দুটি বই ২০১০ এর একুশে বইমেলায়

একুশে বইমেলায় দিলারা জামানের দুটি বই


একুশে বইমেলায় দিলারা জামানের দুটি বই আসছে। এর মধ্যে একটি ‘গল্প সমগ্র’ এবং অন্যটি আত্মজীবনীমূলক ‘জীর্ণ পাতা যাবার বেলায়’। দিলারা জামান জানান, তিনি এক সময় অভিনয়ের পাশাপাশি সাহিত্য চর্চাও করতেন। সে সময়ে প্রকাশিত বেশকিছু ছোটগল্পের সংকলন নিয়ে গল্প সমগ্র প্রকাশিত হবে। বইটিতে দিলারা জামানের তিনটি বই থেকে ৩০টি গল্প স্থান পাচ্ছে। ধ্রুব এষের প্রচ্ছদে নিখিল প্রকাশনী থেকে বইটি প্রকাশিত হবে।
তিনি আরো জানিয়েছেন, এবারের বইমেলায় ‘জীর্ণ পাতা যাবার বেলায়’ নামে আরো একটি বই প্রকাশিত হয়েছে। এ বইটিতে তিনি তার জীবনের বিভিন্ন স্মৃতিময় অধ্যায়কে লিপিবদ্ধ করেছেন। তার সাহিত্য চর্চা, অভিনয়, শৈশব, কর্মস্থলসহ প্রায় সবকিছুই স্থান পেয়েছে বইটিতে। দিলারা জামান বললেন, আত্মজীবনীমূলক এ গ্রন্থটি তাকে এবং তার সময়কে জানতে সাধারণ পাঠক এবং ভক্তদের সহায়তা করবে।

মনের মানুষ - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

Moner-Manush-Sunil-Gangopadhay.jpg

 মনের মানুষ - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন
ডাউনলোড করার পাসওয়ার্ড হলো
amarboi.com

Rapidshare Links No password


কিংবদন্তি জ্যোতি বসু

[জীবন স্মৃতি] কিংবদন্তি জ্যোতি বসু

শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার নাম জ্যোতি বসু। সারা জীবন কাজ করেছেন মানুষের জন্য। বাবা লন্ডনে পাঠিয়েছিলেন ব্যারিস্টার হবার জন্য। ছেলে ফিরেছিলেন কমিউনিস্ট হয়ে। আর পেছন ফিরে তাকাননি। মিশে গিয়েছিলেন হতদরিদ্র মানুষের জীবনের সঙ্গে। মানুষ তার প্রতিদান দিয়েছে।
জ্যোতি বসুর ইমেজের ওপর ভর করেই পশ্চিম বাংলায় তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থেকেছে বামফ্রন্ট। এক সময় নিজের ইচ্ছায় মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়েছেন। মানুষ মানতে চায়নি। অশ্রু ফেলেছে...। ভালোবাসার অশ্রু। পশ্চিম বাংলার জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ দেবতা আর জ্যোতি বসুকে আলাদা করে দেখে না। সেই পশ্চিম বাংলায় এখন বামফ্রন্টের পতন শুরু হয়েছে। বড় বেশি অনুভূত হচ্ছিল
জ্যোতি বসুর প্রয়োজনীয়তা...।


Theory of Relativity in Bangla [pdf]

থিওরি অফ রিলেটিভিটি
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
E=mc[2]


Image
Download and Read

একাত্তরের ভিন্নতর অবলোকন

একাত্তরের ভিন্নতর অবলোকন

মফিদুল হক


১৯৭১ আমাদের জাতীয় জীবনের পরম গৌরবময় পর্ব, চরম দুঃসময়ের কালও বটে। একাত্তরের সেই ঘটনাধারার ছিল স্বাদেশিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক তাত্পর্য। আমরা একাত্তরকে দেখি মূলত আমাদের জাতীয়-বাস্তবতার মাটিতে দাঁড়িয়ে, কিন্তু এর ব্যাপকতর তাত্পর্য অনুধাবনে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অবস্থান থেকে একাত্তর-অবলোকন বয়ে আনতে পারে ভিন্নতর উপলব্ধি, সঞ্চার করতে পারে গভীরতর তাত্পর্য। ভেতর থেকে দেখা ইতিহাস এবং বাইরের বিবেচনা ও ঘটনাধারার মিলনেই পাওয়া যেতে পারে পূর্ণাঙ্গ এক ছবি, যদিও ইতিহাস-বিচারে পূর্ণতায় পৌঁছার মতো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধি নেই, নিরন্তর চলে এর পুনর্বিচার, পুনর্মূল্যায়ন, যার ভিত্তি রচনা করে আহরিত নতুন নতুন তথ্য, নানা দৃষ্টিকোণ থেকে আলোকসম্পাত এবং এভাবে চলে অভ্যস্ত-ভাবনার পরিধিকে ক্রমাগত প্রসারিত করা, পাল্টে দেওয়া।

একাত্তর নিয়ে ভাবনার তোলপাড় জাগানিয়া গ্রন্থ সংখ্যায় বেশি মেলে না, আমাদের সৌভাগ্য তেমন একটি উপহার মিলল হাসান ফেরদৌস প্রণীত ১৯৭১: বন্ধুর মুখ শত্রুর ছায়া গ্রন্থের সুবাদে। এ গ্রন্থের অবলম্বন একান্তভাবে বাইরের অবলোকন, ক্ষমতার বিভিন্ন বিশ্বকেন্দ্রে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধসৃষ্ট অভিঘাত এবং ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া হয়েছে মূল বিবেচ্য। বিগত প্রায় এক দশকজুড়ে সংবাদপত্রে প্রকাশিত নিবন্ধের বাছাইকৃত সংকলন এটি। বিষয়ের সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ ছোট-বড় বিভিন্ন রচনা মিলে গ্রন্থ আকারেও বেশ ভারিক্কি হয়েছে। তবে পাঠকের জন্য বড় পাওনা অনেক নতুন তথ্য ও বিশ্লেষণের নতুন দৃষ্টিকোণের সঙ্গে পরিচিত হওয়া। ভারত, পাকিস্তান, চীন এবং সর্বোপরি আমেরিকা ও জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ প্রশ্ন নিয়ে নানা বিবেচনা, বিভিন্ন পক্ষের অবস্থান, তর্ক-বিতর্ক হয়েছে লেখকের বিবেচ্য। তবে এর অনেকটাই পর্দার অন্তরালের ছবি, যে চিত্র ধারণে প্রধান সূত্র হয়েছে সাম্প্রতিককালে অবমুক্ত বিভিন্ন গোপন দলিল, ইতিহাসের অংশীদারদের রচিত স্মৃতিভাষ্য, বিদেশে প্রকাশিত বইপত্র এবং সংবাদপত্রের রিপোর্ট। ফলে প্রচুর পাঠ নিতে হয়েছে লেখককে এবং তথ্যের জোগান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাস-বিশ্লেষকের দায়ও তাঁকে মেটাতে হয়েছে। এমন রচনা কোনো সহজ কাজ নয়, তদুপরি অধিকাংশ নিবন্ধ রচিত হয়েছে দৈনিক সংবাদপত্রের চাহিদা ও পাঠকের দিকে লক্ষ রেখে। ফলে তাত্ক্ষণিকতার সঙ্গে মিশেল ঘটাতে হয়েছে ইতিহাস-চেতনার এবং এই কাজে হাসান ফেরদৌস রেখেছেন অনায়াস-দক্ষতার পরিচয়। অন্যদিকে এমনি দক্ষতা এক ধরনের সীমাবদ্ধতাও আরোপ করে। এ ধরনের রচনার একটি ঘাটতির দিক হলো, শেষ বিচারে তা আর হয়ে ওঠে না ইতিহাসের বই, হয় ইতিহাস-বিষয়ক বই, নিদেনপক্ষে রিপোর্টিং অন হিস্টরি। বিচ্ছিন্ন সব ফুল নিয়ে পূর্ণ এক মালা গাঁথার কাজটুকু থেকে যায় আরদ্ধ, পাঠককে তা করার মতো পুষ্পহার জোগান দিয়ে যান লেখক, মালা তিনি গাঁথেন না, তবে সেই পুষ্পাঞ্জলিও এক বড় পাওয়া বটে।

বই কেনা

বই কেনা

মোহীত উল আলম
প্রথম প্রকাশিতঃ প্রথম আলো তারিখ: ২৫-১২-২০০৯


ঠিক একই শিরোনামে প্রাতঃস্মরণীয় সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি রসজ্ঞ প্রবন্ধ আছে,
যেখানে তিনি এ বিখ্যাত উক্তিটি করেছেন যে বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না।
বাংলাদেশের গরিব সমাজের প্রেক্ষাপটে এটা একটি বৈপ্লবিক উচ্চারণই বটে।
সম্প্রতি বই প্রকাশনার জগতে ঢাকায় একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো, পৃথিবীর
একটি প্রাচীন প্রকাশনা সংস্থা ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস (১৫৮৪ সালে
প্রতিষ্ঠিত) ও বুক ভিলেজ বাংলাদেশ লিমিটেডের মধ্যে ১৪টি ইংরেজি ভাষা
শিক্ষাবিষয়ক গ্রন্থ ছাপানোর চুক্তি। বাংলাদেশি প্রকাশনা সংস্থাটি আসলে
দেশের সাতটি নামকরা প্রকাশনী ঘরের জোট।

এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভার স্লোগান ছিল, বইয়ের ‘পাইরেসি’ বন্ধ করা।
‘পাইরেসি’র বাংলা শুনলাম তাস্কর্য। সোজা কথায় বইয়ের ডাকাতি বন্ধ করার ওপর
আলোচনা নিবদ্ধ ছিল। মুজতবা আলীর যুগে হয়তো একজনের বই আরেকজন নকল করেছে,
কিন্তু মূল বইয়ের অবৈধ উপায়ে সস্তা সংস্করণ বের করা তাঁর সময়ে সম্ভব ছিল
না। তখন ছাপাখানা, ছাপার যন্ত্র ও মুদ্রণপ্রণালী ছিল, কিন্তু ফটোকপিয়ার,
কমপিউটার, ইন্টারনেট, প্রিন্টার, অর্থাত্ আধুনিক প্রযুক্তি তখনো বইয়ের
বাজারের নিয়ন্ত্রক হয়ে বসেনি। মুজতবা আলী তাই বই কেনার সঙ্গে বিত্তের
সম্পর্ক ধরে আলোচনা করেছেন, বই নিয়ে তস্করবৃত্তি সম্পর্কে তাঁর কিছু বলার
উপায় ছিল না। আবার তিনি জানতেন, বই পড়ার নেশা যাদের তাদের টাকার প্রতি
নেশা কম। সরস্বতী আর লক্ষ্মীর সেবানসুলভ সম্পর্ক। তাই যাঁরা বই পড়তে
ভালোবাসতেন, তাঁরা প্রায়শই বই কিনতে পারতেন না। সহজ কাজটি ছিল বন্ধুবান্ধব
এবং পরিচিতিজনের কাছ থেকে বই ধার নিয়ে ফেরত না দেওয়া।

জীবন জয়ী হবে


জীবন জয়ী হবে
শান্তনু মজুমদের এই বইতে তুলে ধরেছেন সরদার ফজলুল করিমের সাথে তার কথপকথন। বইটি পিডিএফ এ ডাউনলোড করতে হলে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

Download Click Here
password is amarboi.com
বইটি অনলাইনে পড়তে চাইলে নিচের read more লিংকে ক্লিক করুন।